দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের নকলায় নারীর প্রলোভনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ভ্যানচালক আ. মন্নাছকে হত্যার প্রায় তিন বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় নিহতের তিন বন্ধু মোস্তাকিন, স্বপন ও শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা শহরের পুরাতন গরুহাটি এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।
পিবিআই জানায়, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নকলার পাঠাকাটা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আ. মন্নাছকে নারীর প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে যান তার তিন বন্ধু মোস্তাকিন, স্বপন ও শাহীন। পরে রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাঘমারী বিলের কাছে নিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ বিলের কাদা ও কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রেখে মন্নাছের ভ্যানগাড়ি নিয়ে চলে যান তারা।
পরে ভ্যানটির ব্যাটারি ১৪ হাজার টাকা এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করে টাকা ভাগাভাগি করে নেন আসামিরা।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আছমা আক্তার নকলা থানায় মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়। পরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব নেয়।
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, মামলাটি তদন্তের সময় বিভিন্ন পর্যায়ে পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। প্রথমে এসআই রফিকুল ইসলাম মামলাটির তদন্ত করেন। পরে বদলিজনিত কারণে এসআই জাহাঙ্গীর আলম তদন্তভার গ্রহণ করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও মামলার বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে হত্যাকাণ্ডের মূলহোতাদের শনাক্ত করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী আছমা আক্তার বলেন, দীর্ঘদিন পর স্বামীর হত্যাকারীদের দেখতে পেয়ে তিনি স্বস্তি পেয়েছেন। তার স্বামী নিরীহ ছিলেন এবং কারও সঙ্গে বিরোধ ছিল না। তিনি হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, স্বামীই ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। তার মৃত্যুর পর ছোট সন্তানকে নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটছে। সংসার চালাতে সরকারের সহযোগিতাও চান তিনি।
যে আই